শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৮ ১৪২৬   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

২০৫৭

নির্বাচন বানচালের পায়তারা করছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৮  

বিএনপি এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে নির্বাচন বানচালের নাশকতা এবং ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছে বলে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী সূত্রে পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।

আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষ মুহূর্তে বিএনপি নানা অজুহাতে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে যেতে পারে বা সর্বাত্মক চূড়ান্ত আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে। যাদেরকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে তাদের মধ্যে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলে আলাপ-আলোচনা চলছে। দলের নির্দেশ পেলে সঙ্গে সঙ্গে মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি, যাদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে তাদের সেই সঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফরমে স্বাক্ষরও নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। 

তার মানে দাঁড়ায়, বিএনপি যেকোন সময়ে নির্বাচন থেকে সরে গেলেও যেন ঐ সমস্ত প্রার্থীরা স্বতন্ত্র বা অন্য কোনোভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বিরামহীনভাবে নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রমের ত্রুটিবিচ্যুতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট। অতিসম্প্রতি বিএনপির দ্বারা প্ররোচিত একজন আইনজীবী নির্বাচন কমিশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটা রিট পিটিশনও দাখিল করেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল বলছে যে, একটা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার জন্য যে প্রস্তুতি বা যে ধরণের কর্মসূচি দরকার সেরকম কোনো কর্মসূচি অথবা প্রস্তুতি বিএনপির এখন পর্যন্ত নেই। বিএনপি শুধু দেখাচ্ছে যে, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু তারা একটা পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না হওয়া, তাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এবং খালেদা জিয়াকে মনোনয়ন না দেওয়া ইত্যাদি ইস্যুতে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে গিয়ে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে।

আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী সূত্র আরও বলছে, বিএনপি নির্বাচনে না গেলে নির্বাচনের মাত্র সপ্তাহখানেক আগে ২২ ডিসেম্বর থেকে একটি বড় ধরণের সহিংসতা এবং নাশকতার মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বিএনপি প্রথম থেকেই নির্বাচন বর্জন করেছিল এবং নির্বাচন প্রতিহত করার ডাক দিয়েছিল। সেই সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেছিলেন যে আন্দোলনটা দীর্ঘমেয়াদী করার কারণে বিএনপি সেখানে সফল হতে পারেনি। তাই এবার আগেভাগেই নির্বাচন বর্জন বা আন্দোলনের ডাক না দিয়ে কৌশলে এগোচ্ছে দলটি।

আজকের নড়াইল
আজকের নড়াইল
এই বিভাগের আরো খবর