শুক্রবার   ১৮ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৩ ১৪২৬   ১৮ সফর ১৪৪১

১২০

তাওহীদ, ঈমানের প্রথম বুনিয়াদ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০১৯  

প্রত্যেক জীবের প্রাণ থাকে। আর থাকে কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। আমরা ধরে নিতে পারি, দীন ইসলামেরও একটি প্রাণ রয়েছে আর আছে কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।

প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে ইসলামের প্রাণ কী? আর তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গই বা কী? এর উত্তর খুব সহজ, ঈমান হচ্ছে ইসলামের প্রাণ আর ‘আমলে সালেহ’ বা নেক আমল তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। প্রাণ ছাড়া কোনো জীবের অস্তিত্য কল্পনা করা যেমন বৃথা, তেমনি ইমান ছাড়া নেক আমলের কল্পনা করা বৃথা।

শরয়ী পরিভাষা অনুযায়ী ঈমান আর ইসলাম এক বিষয় নয়। ইসলাম হচ্ছে, মুসলমানের বাহ্যিক নেকআমল যেমন নামাজ, রোজা, হজ্জ ইত্যাদি। ঈমান হচ্ছে, দীনের মৌলিক আকীদা বিশ্বাসগুলো। সকল শরীয়তবেত্তা একমত যে, ইসলাম তথা বাহ্যিক আমলগুলো সঠিকভাবে হওয়ার তুলনায় খাঁটি ইমানের অধিকারী হওয়া জরুরি। আর খাঁটি ঈমানের মূলে রয়েছে তাওহীদ বা একত্ববাদের বিশ্বাস।


 
বাহ্যিক খাবার ছাড়া দৈহিকভাবে মানুষের বেঁচে থাকা অসম্ভব। তেমনিভাবে আত্মিকভাবে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না তাওহীদের খোরাক ব্যতিরেকে। এ কথা উদাহরণ দেয়ার স্বার্থে বলা হয়েছে। অন্যথায় দেহের জন্য খাবারের যতটুকু প্রয়োজন, তার চেয়ে বহুবহুগুণ বেশি আত্মার জন্য তাওহীদের প্রয়োজন। হাদীসে বলা হয়েছে, ‘যে আল্লাহর জিকির করে আর যে করে না, তাদের তুলনা হচ্ছে জীবিত আর মৃত মানুষের ন্যায়।’(সহীহ বুখারী-৬৪০৭) এর প্রথম ব্যাখ্যা হচ্ছে, যে ব্যক্তি তাওহীদের বিশ্বাস পোষণ করে আর যে করে না তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত আর মৃত্যের ন্যায়। তাই তাওহীদই হচ্ছে দীন ইসলামের মূল স্পিরিট। তাওহীদে গলত থেকে গেলে কখনো ঈমান, আমলের স্বাদ পাওয়া যাবে না। নিচে পাঠকদের জন্য সংক্ষেপে তাওহীদের পরিচয় ও প্রকার আলোচনা হয়েছে।

কোনো বিষয় যথাযথভাবে মেনে চলতে হলে, সে বিষয়ে স্পষ্ট জ্ঞান থাকা দরকার। কোনো বিষয় যে পরিমাণ অস্পষ্ট থাকে, তা পালন করতে ততটুকু অসুবিধা হয়। তাই প্রথমে তাওহীদের পরিচয় আমাদের জেনে নেয়া দরকার। যেন আমাদের ভেতর তাওহীদ পরিপন্থি কোনো বিষয় বাসা বাধতে না পারে। তাওহীদের সংজ্ঞা:

التوحيد هواعتقاد الوحدانية فى الذات و الصفات و الأفعال


 
‘তাওহীদ বলা হয় আল্লাহ তায়ালার সত্তা, তাঁর সত্তীয় গুণ (জাতি সিফাত) ও কর্মীয় গুণে (ফি’লি সিফাত) কাউকে শরীক না করা; তাঁর একত্তে বিশ্বাস করা।’ (আল মুসামারা-৫৫)

মহান আল্লাহ তায়ালার সিফাত বা বিশেষণের প্রকার:

উল্লেখিত সংজ্ঞার দ্বারা বুঝা যায়, আল্লাহ তায়ালার সত্তার ব্যাপারে একত্ববাদের বিশ্বাস পোষণ করা যেমন তাওহীদ, তদনুরূপ আল্লাহ তায়ালার সিফাত বা বিশেষণের ব্যাপারে একত্ববাদের বিশ্বাস পোষণ করাও তাওহীদের অন্তর্ভূক্ত। এবং এ সংজ্ঞা দ্বারা, এ কথাও প্রতিমান হয় যে, আল্লাহ তায়ালার বিশেষণ বা গুণ দুই প্রকার-

(ক) যাতী সিফাত বা সত্তীয় বিশেষণ: যাতী সিফাত বা সত্তীয় বিশেষণ হচ্ছে, মহান আল্লাহ তায়ালার ওই সকল গুণ বা বিশেষণ, যা তাঁর সত্তার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে ও চিরন্তনরূপে বিদ্যমান। যেমন কুদরত (ক্ষমতা) আল্লাহ তায়ালার সত্তীয় গুণ। তা আল্লাহ তায়ালা থেকে কখনো বিচ্ছেদ হয় না। তেমনিভাবে সামআ (শ্রবন করা) বাসর (দেখা) ইত্যাদিও আল্লাহর যাতী সিফাত বা সত্তীয় গুণ।


 
(খ) ফি’লী সিফাত বা কর্মীয় বিশেষণ: ফি’লী সিফাত বা কর্মীয় বিশেষণ হচ্ছে, মহান আল্লাহ তায়ালার ওই সকল গুণ বা বিশেষণ, যা তাঁর সঙ্গে চিরন্তনরূপে বিদ্যমান তবে তাঁর ইচ্ছায় ওই সিফাতগুলো কর্মে রূপান্তরিত হয়। যেমন রিযিক দেয়া আল্লাহর একটি গুণ। তা আল্লাহর সঙ্গে চিরন্তনরূপে বিদ্যমান। তবে তা সবর্দা কর্মে বিদ্যমান নয় বরং তিনি কাউকে রিযিক দিতে চাইলে তখন তা কর্মে রূপান্তরিত হয়। মোট কথা হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালার সকল গুণ বা বিশেষণ অনাদি ও চিরন্তন। তবে তাঁর ইচ্ছায় ফি’লী সিফাত বা কর্মীয় বিশেষণগুলো কর্মে পরিণত হয়। (ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির কর্তৃক ‘আল ফিকহুল আকবর’ এর বাংলা অনুবাদ, পৃষ্ঠা-২৪৭)

সত্তীয় ও কর্মীয় গুণের মাঝে পার্থক্য:

সহজে সত্তীয় ও কর্মীয় বিশেষণের মাঝে এভাবে পার্থক্য করা যায় যে, কর্মীয় বিশেষণ কর্মে পরিণত হওয়া আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তিনি যখন ইচ্ছা সৃষ্টি করেন, রিযিক দেন, রাগ করেন, সন্তুষ্ট হন। আর সত্তীয় বিশেষণগুলো এ রকম নয়। তাই আল্লাহ তায়ালার ক্ষমতা ইচ্ছাধীন কোনো বিষয় নয় যে, তিনি যখন চান ক্ষমতা লাভ করেন এবং যখন চান ক্ষমতা ছেড়ে দেন বরং তিনি সর্বদা ক্ষমতাবান। এ প্রসঙ্গে মোল্লা আলী কারী রাহ বলেন, ‘যাতী সিফাত বা সত্তীয় বিশেষণ হচ্ছে, ওই সমস্ত গুণ যার বিপরীত সম্ভব নয়। যেমন আল্লাহর গুণ হচ্ছে, সক্ষমতা, এর বিপরীত হচ্ছে অক্ষমতা। তো আল্লাহ তায়ালা কোনো বিষয়ে অক্ষম হওয়া অসম্ভব। আর ফি’লী সিফাত বা কর্মীয় বিশেষণ হচ্ছে, ওই সমস্ত গুণ, যা কর্মে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে বিপরীত হতে পারে। যেমন আল্লাহ তায়ালার একটি গুণ হচ্ছে, রিযিক দেয়া। তো এই গুণ কর্মে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয়টা হতে পারে। আল্লাহ চাইলে কাউকে রিযিক দিতে পারেন আবার চাইলে কাউকে রিযিক নাও দিতে পারেন। (শরহু ফিকহিল আকবর, পৃষ্ঠা :২৫)

তাওহীদ দুই প্রকার:

(ক) তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ (সৃষ্টি ও প্রতিপালনের একত্ত)

তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ হচ্ছে, এ কথার বিশ্বাস রাখা যে, মহান আল্লাহই জগতসমূহের সৃষ্টিকর্তা, প্রতিপালক, নিয়ন্ত্রক ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
(খ) তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ (ইবাদাতের একত্ত) তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ হচ্ছে, এ কথার বিশ্বাস রাখা যে, সকল প্রকার ইবাদত যেমন প্রার্থনা, সেজদা, জবাই, মান্নাত ইত্যাদির উপযুক্ত একমাত্র আল্লাহ।

সূরা ফাতেহাকে বলা হয় ‘উম্মুল কোরআন’ বা কোরআনের মা। এ কথার অর্থ হচ্ছে, সমস্ত কোরআনের বিষয়বস্তু সূরা ফাতেহা ধারণ করে আছে। প্রশ্ন হচ্ছে তা কীভাবে? উত্তরটি সহজে বুঝার জন্য জেনে নেয়া দরকার যে, আল কোরআনের মৌলিক আলোচ্য বিষয় দুটি।


 
(এক) তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ (সৃষ্টি ও প্রতিপালনের একত্ববাদ) ও তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ (ইবাদতের তাওহীদ বা একত্ববাদ)। সূরা ফাতেহায় ‘আলহামদুলিল্লাহ’ থেকে ‘মালিকি ইয়াওমিদ্দীন’ পর্যন্ত ‘তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ’ তথা সৃষ্টি ও প্রতিপালনের একত্ববাদ রয়েছে। (দুই) তারপর থেকে শেষ পর্যন্ত ‘তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ’ তথা ইবাদতের তাওহীদ রয়েছে। পুরো কোরআনের আলোচ্য বিষয় যেহেতু সূরা ফাতেহা ধারণ করে রেখেছে, তাই তাকে ‘উম্মুল কোরআন’ বা কোরআনের জননী বলা হয়। (মাআরেফুল কোরআন)

মোল্লা আলী কারী (রাহ.) উল্লেখ করেছেন যে, কোরআনে তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ (প্রতিপালনের তাওহীদ) উল্লেখ করা হয়েছে মূলত ইবাদতের তাওহীদকে প্রমাণ ও প্রতিষ্ঠা করার জন্য। যেহেতু আল্লাহ তায়ালা সবকিছুর স্রষ্টা, পালনকর্তা ও সর্ববিষয়ে শক্তিমান কাজেই ইবাদতও একমাত্র তাঁর প্রাপ্য। (শরহু ফিকহিল আকবার, পৃষ্ঠা.১০) এ সকল আলোচনা দ্বারা প্রতিমান হয় তাওহীদ দুই প্রকার।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংস্কারক শাহ ওয়ালীউল্লাহ (রাহ.)। তিনি তার গ্রন্থ ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগা’এ তাওহীদকে চার ভাগ করেছেন।

(ক) ওয়াজিবুল ঊযুদ (অনাদি অনন্ত) একমাত্র আল্লাহ তায়ালা, এ বিশ্বাস রাখা।

(খ) মহাবিশ্বের স্রষ্টা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা এ বিশ্বাস রাখা।

(গ) একমাত্র আল্লাহ তায়ালা মহা বিশ্বের পরিচালক এ বিশ্বাস রাখা। পূর্বের আলোচনায় এ প্রকার তাওহীদকে তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ বা প্রতিপালনের তাওহীদ হিসেবে নামকরন করা হয়েছে।

(ঘ) আল্লাহকে একমাত্র মা’বুদ বা উপাস্য বলে বিশ্বাস করা। পূর্বের আলোচনায় এ প্রকার তাওহীদকে তাওহীদুল ইলুহিয়্যাহ বা ইবাদতের তাওহীদ হিসেবে নামকরন করা হয়েছে।
প্রথম দুই প্রকার তাওহীদকে সব ধরনের মানুষ মেনে চলে। সকলে বিশ্বাস করে মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা একজন এবং তাঁর শুরু ও শেষ বলতে কিছু নেই। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা একাই এই মহাবিশ্ব পরিচালনা করছেন, তাতে অন্যকেউ শরীক নেই, এ কথা অনেকে মানে না। ওদের মতে মহাবিশ্বের পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে অন্যরাও শরীক আছে।

প্রধানমন্ত্রী যেমন দেশ চালানোর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিকে মন্ত্রী নিয়োগ দেন, মহান সৃষ্টিকর্তাও মহাবিশ্ব পরিচালনার জন্য তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে বিভিন্ন দায়িত্ব দেন। যেহেতু মহাবিশ্ব পরিচালনায় অন্যরাও শরীক এবং দুনিয়াবাসীকে বিভিন্ন বস্তু দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের ক্ষমতা রয়েছে, তাই পূজা দিয়ে ওদেরকেও খুশি রাখতে হবে। যেমন একটা সম্প্রদায় তারকার পূজা করে। তারা বলে, দৈন্দিন যে সকল বিষয় সংঘটিত হচ্ছে, তার ওপর তারকার প্রভাব রয়েছে। মানুষের সুস্থতা, অসুস্থতাতেও রয়েছে তারকার প্রভাব। এজন্য, তারা তারকার ইবাদত করে। মুশরিক সম্প্রদায় মনে করে, তাদের পূর্ববতী নেককার লোকেরা ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার দরুণ, তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রভুত্ব লাভ করেছে। এজন্য, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে তাদের ওপর বিভিন্ন দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে। তাদের থেকে কিছু লাভ করতে হলে, তাদের ইবাদত করতে হবে।

কোন প্রকারের তাওহীদ নবীদের দাওয়াতের মিশন ছিলো?

মুশরিক, মূর্তিপূজারি, অগ্নিপূজক সকলে বিশ্বাস করে যে, মূল প্রভুত্ব একমাত্র আল্লাহর। আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আপনি যদি ওদের জিজ্ঞাসা করেন, আকাশ জমীন কে সৃষ্টি করেছেন? ওরা বলবে অবশ্যই আল্লাহ এগুলো সৃষ্টি করেছেন।’(সূরা যূকরুফ, আয়াত-৮) এ জন্য কোনো নবীই এই দাওয়াত দেননি যে, তোমরা বল, আল্লাহ আছেন কিংবা তোমরা সাক্ষ্য দাও, এই মহা বিশ্বের স্রষ্টা একজন। বরং সকল নবীগণের দাওয়াত ছিলো প্রতিপালন ও ইবাদতের তাওহীদের দিকে। যেমন আল কোরআনের জায়গায় জায়গায় বলা হয়েছে, ‘তোমরা সাক্ষ্য দাও আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই। ইবাদতের উপযুক্ত একমাত্র তিনি। ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, তাতে অন্য কাউকে শরীক করো না।’

তাওহীদের উপকারীতা:

১। তাওহীদ, বস্তুর শক্তির ব্যাপারে মানুষকে নির্ভীক করে তুলে:

সৃষ্টির সেরা জীব হচ্ছে মানুষ। অন্য সকল সৃষ্টি হচ্ছে মানুষের সেবক। কিন্তু তাওহীদের শিক্ষা না থাকলে ওগুলোর সামনে মাথা নত করে বসে থাকে। মনে করে ওগুলো কোনো লাভ বা ক্ষতি করতে পারে। ইতিহাসে অনেক ঘটনা পাওয়া যায়, সামান্য পাথরের পূজা করতো যে ব্যক্তি, তাওহীদের বিশ্বাসী হয়ে যাওয়ার পর সে ওই বস্তুকে কিছুই মনে করে না। যেমন এক বর্ণনায় এসেছে হজরত ওমর (রা.) জাহেলি যুগে হাজরে আসওয়াদের পূজা করত। কিন্তু যখন ঈমানের দৌলত নসীব হয়, তখন তার বক্তব্য ছিলো এরকম ‘আমি জানি তুমি একটি পাথর। কোনো উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা তোমার নেই। যদি রাসূল (সা.) চুম্বন করতে না দেখতাম তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না।


 
২। তাওহীদের বিশ্বাস দ্বারা আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত হয়।

৩। মানব জাতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ পায়: মানুষকে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টির সেরা মাখলূক হিসেবে। তাই মানুষ যখন এক আল্লাহ তায়ালার সামনে মাথা নত করে তখন মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ পায়। কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো মাখলূকের সামনে মাথা নত করে, পূজা করে তাহলে ওই বস্তুর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ পায়; মানুষের নয়।

আজকের নড়াইল
আজকের নড়াইল