বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৭ ১৪২৬   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

১৩১৮

আ. লীগের মনোনয়ন পেয়েছে একই পরিবারের তিনজন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর ২০১৮  

নিউজডেস্কঃ একই পরিবারের তিনজন সদস্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। এরমধ্যে বাগেরহাট জেলায় ২টি আসনে বাবা ও ছেলে মনোনয়ন লাভ করেছেন।

এর মধ্যে বাগেরহাট-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলালউদ্দিন। পাশের বাগেরহাট- ২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ হেলালের ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়। এ ছাড়া খুলনা-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। তিনি শেখ হেলালের ভাই।

ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী নিয়ে বাগেরহাট-১ আসন।  এই আসনের এবার মোট ভোটার তিন লাখ দুই হাজার ১২ জন  এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৫ আর নারী এক লাখ ৪৮ হাজার ৩৪৭ জন। এই আসনটিতে বরাবর একটানা আধিপত্য রয়েছে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের। অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সব সময় বড় ব্যবধানের ভোটে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হয় । এমনকি ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর জোয়ারের সময়ও  প্রায় ২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে শেখ হেলাল উদ্দিন বিজয়ী হন। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন  প্রত্যাশী  অ্যাডভোকেট ওয়াহেদুর রহমান দিপু ও  শেখ মুজিবর রহমান।

বাগেরহাট সদর ও কচুয়া থানা নিয়ে বাগেরহাট- ২ আসন। এই  আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৮৪ হাজার ৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৪১ হাজার ৯১৭ জন এবং নারী এক লাখ ৪২ হাজার ১৪৬ জন। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মীর সাখায়াত আলী বাদশা। এবার আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে দাবি ছিল এই আসনে শেখ হেলাল উদ্দিনের ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়কে মনোনয়ন দেওয়া হোক । ২০০১ সালে এখানে নির্বাচিত হয়ে ছিলেন বিএনপি নেতা এ এইচ এম সেলিম। কিন্তু সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে তিনি পর্দার পেছনে আছেন। সামনে আছেন তাঁর ছোট ভাই এম এ সালাম। তিনি এবার দলের মনোনয়ন চাইবেন। 

ওই আসনে বিজয়ী দল সব সময় সরকার গঠন করে বলে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়। এই আসনটিতে এক টানা কারো আধিপত্য নেই।

অপরদিকে খুলনা -২ আসনটি সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৯৪ হাজার ৯৯ জন। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান। আওয়ামী লীগে  এবার প্রথম বারের মতো মনোনয়ন প্রার্থী হন প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল। তিনি দলীয় মনোনয়ন চাওয়ায় মিজানুর রহমান আর দলীয় মনোনয়ন চাননি। মনোনয়ন বোর্ড বৈঠক হওয়ার অনেক আগেই মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায়  সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ঘোষণা করেন এবার শেখ জুয়েল খুলনা-২ আসনের প্রার্থী।

আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এই আসনটিতে ২০১৪ সালের নির্বাচন ছাড়া বেশির ভাগ  সময় বিএনপির প্রার্থীর জয়ী হয়ে আসছে । ২০০৮ সালে এই আসনে বিএনপির টিকেটে জয়ী হন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।  আর ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ওই আসনে বিজয়ী হন। পরে উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য হন বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা আলী আজগর লবি।
 

আজকের নড়াইল
আজকের নড়াইল
এই বিভাগের আরো খবর